পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সূত্রের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক সামছুল আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে জনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্রহত্যা মামলার (৪৪[৮]২৪) এক আসামি।
জনির গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার হারুয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. মফিজ উদ্দিন। সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুয়েল মিয়া বলেন, জনি হত্যামামলার সন্দিগ্ধ আসামি। তদন্তে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ার পর থেকে তাকে খোঁজা হচ্ছিল। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। সম্প্রতি অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। জনিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
জনির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে—জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকা। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, নির্যাতন, পুলিশকে প্রভাবিত করে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়া অবৈধভাবে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে প্রভাবিত করে প্রথমে শিক্ষক পদে নিয়োগ নেন এবং পরবর্তীতে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পান জনি। তবে তিনি সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফুল ইসলামের অনুসারী ছিলেন। নানা অনিয়ম ও নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় পরে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়।
0 Comments