সূর্যের প্রচণ্ড তাপে গরমে পুড়ছে সৈকতের বালিয়াড়ী, তবুও সমুদ্রের নীল জলে স্নান করে প্রশান্তি খুঁজছেন লাখো পর্যটক। ঢেউয়ের তোড়ে আনন্দে মেতে উঠছে শিশু-কিশোর ও তরুণরা।
একজন পর্যটক বলেন, "এই নীল জল আর ঢেউয়ের ধাক্কা যেন জীবনের সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দিচ্ছে।"
হোটেল মালিকরা জানিয়েছেন, ঈদ মৌসুমে ৬০-৭০ শতাংশ রুম বুকড হয়েছে। আসন্ন সপ্তাহান্তে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়ার আশা করছেন তারা।
তবে এই পর্যটন ঋতুকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে সৈকতে রোহিঙ্গাদের দলবদ্ধ আনাগোনা। সরেজমিনে দেখা গেছে, রোহিঙ্গারা ক্যাম্প থেকে চেকপোস্ট ফাঁকি দিয়ে সরাসরি সমুদ্রে ঘুরতে এসেছে।
তারা নিজেরাই স্বীকার করেছে— “চেকপোস্ট ঘুরে আমরা চলে এসেছি সৈকতে।”
একাধিক হোটেল ব্যবসায়ী জানান, রোহিঙ্গাদের মুক্ত বিচরণ বন্ধ করা গেলে পর্যটক সংখ্যা চার লাখ ছাড়াতে পারে। তাদের মতে, “এভাবে চললে পর্যটকেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে। এটা বন্ধ না হলে পর্যটনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”
পর্যটন পুলিশ বলছে, তারা পর্যটকদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ নজর রাখছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, কিভাবে শত শত রোহিঙ্গা কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে সৈকতে প্রবেশ করছে?
0 Comments