এই জিয়ারত কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন স্মৃতি সংঘের চেয়ারম্যান কায়সার, কো-চেয়ারম্যান সোহেল এবং সদস্য সচিব হৃদয়। জিয়ারত শেষে তারা কবরের পাশে রোপণ করেন তিনটি গাছ, রহমতের ছায়া ছড়াবে এই বিশ্বাসে।
স্মৃতি সংঘের সদস্যরা বলেন, এই সমাজে বন্ধুর অভাব নেই, কিন্তু নাহিদের মতো বন্ধু খুব বিরল। তার স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে তারা যে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অন্যদের জন্যও উদাহরণ হয়ে থাকবে।
এই মহৎ উদ্যোগ যেন আরও বেশি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, এই ছিল তাদের প্রত্যাশা।
0 Comments