ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ

সাতই নভেম্বরের চেতনা থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন বন্ধ করেছিল শেখ হাসিনা সরকার

সাতই নভেম্বরের চেতনা থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন বন্ধ করেছিল শেখ হাসিনা সরকার

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকার সাতই নভেম্বরের চেতনার প্রতি ভীত হয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন বন্ধ করে দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দলের বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত সরকারের পক্ষ থেকে দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বন্ধ রাখা হলেও বিএনপি ও সমমনা দলগুলো তা নিয়মিত পালন করে এসেছে এবং দীর্ঘ সময় পর এবার তা আবার রাষ্ট্রীয় ও জাতীয়ভাবে পালিত হতে যাচ্ছে। ঘোষণা অনুযায়ী, সাতই নভেম্বর উপলক্ষে রাজধানীতে একটি কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রা করবে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শনিবার বিকেল তিনটায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হবে। শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের নিকটবর্তী মোড় হয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর ও ফার্মগেট অতিক্রম করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে। এর আগে সকালে জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে ফাতেহা পাঠ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তারেক রহমান। রুহুল কবির রিজভী আরও জানান, গত পাঁচ নভেম্বর থেকে বিএনপির সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এছাড়া শনিবার দেশের অধিকাংশ জেলা ও মহানগরে শোভাযাত্রা হবে এবং দলের সহযোগী সংগঠনগুলোর পাশাপাশি সমমনা রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলগুলোও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।

সংক্ষেপে:
সাতই নভেম্বরের চেতনায় ভীত হয়ে শেখ হাসিনা সরকার দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন বন্ধ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সাতই নভেম্বরের চেতনা থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন বন্ধ করেছিল শেখ হাসিনা সরকার

0 Comments