পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের ডাকা ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ ষষ্ঠ দিনেও খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। গত রোববার শুরু হওয়া এই লংমার্চ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তীব্র সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী জিও নিউজকে জানিয়েছেন, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারির বিষয়ে কেন্দ্র সরকার তাদের আলোচনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে, যদিও সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তের কথা তিনি জানাননি। অন্যদিকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি পিটিআইয়ের নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাঁরা যেন পেশোয়ারের সাবি জেলা অতিক্রম করার দুঃসাহস না দেখান। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহও বিক্ষোভকারীদের ইসলামাবাদে ঢুকতে না দেওয়ার কথা বলেছিলেন। পিটিআইয়ের মুখপাত্র ও প্রাদেশিক মুখপাত্র শওকত ইউসুফজাই দাবি করেছেন, ইমরান খানের মুক্তি এবং দলের প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে দেখা করার সুযোগসহ সকল দাবি না মানা পর্যন্ত তাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদির নেতৃত্বে লংমার্চটি চারসদ্দারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক আফ্রাসিয়াব খটক প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া অবস্থানের কারণে লংমার্চটি রাজধানী বা পাঞ্জাব প্রদেশে প্রবেশ করতে পারবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে এবং পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক সরকারও যথেষ্ট চাপের মুখে রয়েছে। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাবন্দী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে গত ৪ অক্টোবর থেকে এই লংমার্চ শুরু হয়।
ইমরানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের লংমার্চ নিয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারির আলোচনা শেষ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।


0 Comments