কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় কক্সবাজারের যুবক রাজু চৌধুরীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত একমাত্র ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া। গত শনিবার গ্রেপ্তার হওয়ার পর সুমন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাতে কক্সবাজার থেকে বাসে কুমিল্লায় ফেরার পথে পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড এলাকায় নেমে অটোরিকশায় ওঠার পর তাজমিন ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার কুমিল্লার একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় ও কক্সবাজারে যাতায়াতের বিষয়টি সামনে আসে। জানা যায়, কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলের কর্মী রাজু চৌধুরীর সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাজমিন সেখানে গিয়েছিল। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বললেও সে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং পরে কুমিল্লা হয়ে কক্সবাজারে যায়। কক্সবাজারের কক্সেস পেনারেমিক ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর এজেন্সির কর্মী আবদুল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, গত মঙ্গলবার রাতে তাজমিন ও রাজু বাসের টিকিট কাটতে কাউন্টারে এসেছিলেন। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে আইকনিক এক্সপ্রেসের বাসে তারা কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হন। রাতে বাসটি কুমিল্লার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছায় এবং সিসিটিভি ফুটেজে রাত পৌনে ১২টার দিকে তাজমিনকে বাস থেকে নেমে অটোরিকশা ভাড়া করতে দেখা যায়। পুলিশের অভিযোগ, ওই অটোরিকশার চালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় কক্সবাজারের যুবক রাজু চৌধুরীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


0 Comments