শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেছেন ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকান আইনজ্ঞ নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই। নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। নাভি পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক এবং রুয়ান্ডার জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। নরওয়ের অসলো থেকে ঘোষিত এই পুরস্কারের জন্য চলতি বছর ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি ছিল বিভিন্ন সংগঠন। এ বছরের সম্ভাব্য প্রাপকদের তালিকায় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, সুদানের জরুরি উদ্ধারকর্মী দল, ইউক্রেনে শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন, দুটি আন্তর্জাতিক আদালত, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং দীর্ঘদিনের আগ্রহ প্রকাশকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম আলোচনায় ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি এবং এসব লক্ষ্য অর্জনে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর আগে গত বছর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন করায় বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো ক্রমবর্ধমান অন্ধকার পরিস্থিতির মধ্যেও গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়ে রাখার সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই।


0 Comments