প্রস্তাবিত কক্সবাজার সিটি করপোরেশনের সীমানায় ভারুয়াখালী ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছে স্থানীয় নাগরিক সমাজ। সোমবার সকালে ভারুয়াখালী নাগরিক ফোরামের প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নানের কাছে এই দাবি সংবলিত একটি আবেদনপত্র জমা দেন।
জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর সিটি করপোরেশনের প্রাথমিক সীমানা নির্ধারণের সময় কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়নকে বাদ দেওয়া হয়। অথচ রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ও দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নকে প্রস্তাবিত সিটি করপোরেশনের আওতায় রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজলও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগ্রহী ইউনিয়নগুলোকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করার পরামর্শ দেন।
আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, খুরুশকুল হয়ে ভারুয়াখালী থেকে কক্সবাজার শহরের দূরত্ব মাত্র ৮.৫ কিলোমিটার। ভারুয়াখালী-খুরুশকুল সংযোগ সেতুর কাজ শেষ পর্যায়ে থাকায় এটি চালু হলে মাত্র ১৫ মিনিটে শহরে যাতায়াত করা সম্ভব হবে। এছাড়া এই ইউনিয়নের বাসিন্দারা বর্তমানে পৌরসভার মতো বিভিন্ন কর প্রদান করছেন এবং জমি কেনাবেচায় জেলা প্রশাসনের অনুমতির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থান, শিক্ষার হার এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতার বিচারে ইউনিয়নটিকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত করা যৌক্তিক বলে দাবি করেছে নাগরিক ফোরাম।
আবেদন জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাস্টার গোলাম কাদের, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট নেজামুল হক, অধ্যক্ষ বদরুল আলম, সহযোগী অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আরিফ, অ্যাডভোকেট শাহ আলম, অ্যাডভোকেট আবুহেনা, হাসমত আলী, মাস্টার শেফা উদ্দিন, ব্যাংকার আব্দুল হামিদ, অধ্যাপক জহিরুল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্রস্তাবিত কক্সবাজার সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে ভারুয়াখালী নাগরিক ফোরাম। ভৌগোলিক গুরুত্ব ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বিবেচনায় ইউনিয়নটিকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনার দাবি জানান স্থানীয়রা।


0 Comments