সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সকল কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। এই নতুন বেতন কাঠামোটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সচিব কমিটির সকল সদস্য এই সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে কর্মচারীদের মূল বেতন বাড়ানো হবে এবং পরবর্তী বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকে এই নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এই খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।
উল্লেখ্য, সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত নবম জাতীয় বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশন বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি এই সুপারিশ পর্যালোচনার দায়িত্ব পালন করে। গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট পেশকালে অর্থমন্ত্রী আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই বেতন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ১১ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের খবরে এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে বড় অগ্রগতি হয়েছে। প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে, যা দুই ধাপে কার্যকর হবে।


0 Comments