নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার সকালে উপজেলার মদনপুর এলাকায় প্রায় দেড় ঘণ্টা এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের খবর দিলে বেলা পৌনে ১১টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
নিহত বুলবুল আহমেদ ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) শাখার যুগ্ম সম্পাদক এবং স্থানীয় শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে ছিলেন। পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় তার ওপর হামলা চালানো হয়। ইসলামী আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহর অভিযোগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বুলবুলের গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় স্থানীয় কিশোর গ্যাং নেতা শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন বুলবুল। সেই মামলার জেরে সিফাত ও তার সহযোগীরা তাকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ জানান, শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে নেতা-কর্মীরা সড়কে টায়ার ও কাঠ পুড়িয়ে অবরোধ শুরু করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রশাসনের আশ্বাসে প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন জানান, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শেখ সিফাতসহ ৯ জনকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে যুব আন্দোলন নেতা বুলবুল আহমেদকে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন নেতা-কর্মীরা। পুলিশ মূল অভিযুক্তসহ ৯ জনকে আটক করার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।


0 Comments