বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের ১৫ লাখ টাকার একটি উন্নয়ন কাজের কার্যাদেশকে কেন্দ্র করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলমের কক্ষে ঠিকাদারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে কাজটি পাওয়া স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ঠিকাদার মাহফুজের সঙ্গে প্রকৌশলীর কথা-কাটাকাটি হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতির উপক্রমে পৌঁছায়।
ঠিকাদার মাহফুজের অভিযোগ, নিয়ম মেনে কাজ পাওয়ার পরও নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম তাকে কাজটি অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে ছেড়ে দিতে অনৈতিক চাপ প্রয়োগ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, প্রকৌশলী তাকে গালিগালাজ করেছেন এবং ছাত্রদল নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য ঠিকাদাররাও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কার্যাদেশ দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি ও হয়রানির অভিযোগ তোলেন।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না। তবে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তারা শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে ১৫ লাখ টাকার কার্যাদেশ নিয়ে গণপূর্ত প্রকৌশলীর কক্ষে হট্টগোল ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। টেন্ডার নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর মধ্যে হাতাহাতির উপক্রম হয়।


0 Comments