ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ

নরেন্দ্র মোদির ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্য নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া

নরেন্দ্র মোদির ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্য নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত ১৫ আগস্ট ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে তিনি এই শব্দটি ব্যবহার করেন। মোদি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সশস্ত্র নকশালদের দমন করা সম্ভব হলেও সমাজ থেকে আদর্শিক হুমকি বা ‘দিমাগি নকশালদের’ চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করার সময় এসেছে।

এই বক্তব্যের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বিষয়টি ট্রেন্ডিং হতে শুরু করে। এরই মধ্যে ‘দিমাগি নকশাল পার্টি’ নামে একটি পেজ বিপুল অনুসারী পেলেও পরে সেটি রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। ইতিপূর্বে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্তের এক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক পেজ খোলেন অভিজিৎ দীপ নামের এক যুবক, যা বর্তমানে বেশ আলোচিত।

মোদির এই মন্তব্যের প্রতিবাদে কংগ্রেস নেতা পি. চিদম্বরম, আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি নিজেদের ‘দিমাগি নকশাল’ হিসেবে অভিহিত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা কিরেন রিজিজু ব্যাখ্যা দেন যে, যারা সংবিধান অমান্য করে এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন দেয়, তাদের উদ্দেশ্যেই এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস প্রশ্ন তুলেছেন, সরকারের বিরোধিতা করলেই কেন কাউকে এমন তকমা দেওয়া হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা ভারতের তরুণ প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সচেতনতারই একটি বহিঃপ্রকাশ।

সংক্ষেপে:
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্য ঘিরে দেশটিতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই শব্দ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি বিরোধী নেতারাও সরব হয়েছেন।
নরেন্দ্র মোদির ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্য নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া

0 Comments