যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত বিশ্বকাপের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষ হয়েছে। ৪৮টি দেশের ১ হাজার ২৪৮ জন ফুটবলার এই মহাযজ্ঞের অংশ হলেও সবার ভাগ্যে মাঠে নামার সুযোগ জোটেনি। টুর্নামেন্টের পুরো সময় সাইডবেঞ্চে বসেই কাটাতে হয়েছে বেশ কয়েকজন তারকা খেলোয়াড়কে।
ফ্রান্সের হয়ে ২০১৮ বিশ্বকাপ জয়ী এনগোলো কান্তে এবার ছিলেন পুরোপুরি দর্শক হয়ে। ৩৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারকে আটটি ম্যাচের একটিতেও মাঠে নামাননি কোচ দিদিয়ের দেশম। এমনকি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। ইংল্যান্ডের হয়ে একই অভিজ্ঞতা হয়েছে কোবি মাইনুর। ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে শুরুর একাদশে থাকলেও টমাস টুখেলের অধীনে এই বিশ্বকাপে এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এছাড়া ইংলিশ গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ডকেও পুরো টুর্নামেন্ট বেঞ্চে বসে কাটাতে হয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন দল স্পেনের হয়ে শিরোপা জিতলেও মাঠে নামা হয়নি ভিক্টর মুনিয়োজ, দাভিদ রায়া ও আলেহান্দ্রো গ্রিমালদোর। লিভারপুলের নতুন খেলোয়াড় মুনিয়োজ চোট কাটিয়ে ফিরলেও সুযোগ পাননি। অন্যদিকে আর্সেনালের গোলরক্ষক দাভিদ রায়াকে টপকে পুরো টুর্নামেন্টে আস্থার প্রতীক ছিলেন উনাই সিমন। এছাড়া রক্ষণভাগে মার্ক কুকুরেয়ার দুর্দান্ত ফর্মের কারণে আলেহান্দ্রো গ্রিমালদোকে মাঠের বাইরেই থাকতে হয়েছে।
ব্রাজিলের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় ব্রেমারও কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। গ্যাব্রিয়েল ও মার্কিনিওস জুটির ভিড়ে জুভেন্টাসের এই তারকাকে দর্শক হয়েই থাকতে হয়েছে। উরুগুয়ের বার্সেলোনা তারকা রোনাল্ড আরাউহো চোটের কারণে প্রথম দুই ম্যাচ মিস করার পর শেষ ম্যাচেও কোচের বিবেচনায় ছিলেন না। পর্তুগালের গনসালো ইনাসিও এবং নেদারল্যান্ডসের ম্যাটস উইফারও স্কোয়াডে থাকলেও বিশ্বকাপে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ পাননি।
বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থেকেও এক মিনিটও মাঠে নামার সুযোগ পাননি এনগোলো কান্তে ও দাভিদ রায়া সহ বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার। সাইডবেঞ্চে বসেই শেষ হয়েছে তাদের বিশ্বজয়ের মিশন।


0 Comments