কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী নিজেই সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে জেলার বন্যাকবলিত পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলা পরিদর্শনকালে তিনি এই তথ্য জানান। জেলা প্রশাসক জানান, দুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে জেলায় ৩০ লাখ টাকা এবং ৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কাছে জরুরি ত্রাণ ও বিভিন্ন সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাংলাপাড়া গ্রামে পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ, ওষুধ, মোমবাতি ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেন। এ সময় পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলার বেতুয়া বাজার স্টেশন এলাকা এবং কোনাখালী ইউনিয়নের মরংগুনা এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করেন। চকরিয়া সফরের সময় চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) তার সঙ্গে ছিলেন।
বন্যা পরিস্থিতির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, বৃষ্টিপাত কমে আসায় মাতামুহুরী নদীর পানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নদীর পানি এখন বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুতই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং পানি নেমে যাবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্গতদের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও ৪৫০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চকরিয়া ও পেকুয়ায় ত্রাণ বিতরণ করেছেন জেলা প্রশাসক।


0 Comments