প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অন্তত ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সামরিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। শনিবার রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সফরসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী আগামী ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরে যাবেন এবং সেখান থেকে চীনের ডালিয়ান শহরে পৌঁছাবেন। ২৩ জুন তিনি সেখানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। এরপর ২৪ থেকে ২৬ জুন বেইজিংয়ে তাঁর আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফর অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, বর্তমানে ১৫ থেকে ১৭টি দলিল স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক ছাড়াও দুটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রটোকল অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সফরের অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিস্তৃত আলোচনা হবে। তবে তিস্তা প্রকল্পে চীনা অর্থায়নের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রকল্পের কারিগরি ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাইয়ের কাজ এখনও চলমান থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ অন্তত ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। বেইজিংয়ে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও অংশ নেবেন তিনি।


0 Comments