ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় গভীর রাতে স্বামীকে জিম্মি করে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পাগলা থানার তললী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মো. শাকিল (৩০) এবং একই থানার বেলদিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে হিরন খান (৪০)। মামলায় শাকিল ২ নম্বর এবং হিরন ৪ নম্বর আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। পুলিশ জানায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় শাকিলকে ফুলবাড়িয়া থেকে এবং হিরনকে গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ময়মনসিংহের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। বিচারক হাসনা খাতুন আগামী ২২ জুন রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গত বুধবার শাহাব উদ্দিন নামের আরেক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যাকে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে সাত-আটজনের একটি সশস্ত্র দল গফরগাঁওয়ে ওই গৃহবধূর বাবার বাড়িতে হানা দেয়। তারা কৃষক স্বামীর হাত-পা ও চোখ-মুখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূকে পার্শ্ববর্তী একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে ভুক্তভোগী পরিবার এলাকাবাসীর সহায়তায় থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও চারজনকে আসামি করে মামলা করেন গৃহবধূর মা।
ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, এজাহারভুক্ত আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

0 Comments