কর্ণাটকের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়াকে জরুরি ভিত্তিতে দিল্লিতে তলব করেছে কংগ্রেস হাই কমান্ড। তবে এই সফরের সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল রুটিন বৈঠক নয়, বরং দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে বড় কোনো সিদ্ধান্ত হতে পারে। কর্ণাটকে কংগ্রেস সরকার গঠনের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি. কে. শিবকুমারের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। বিশেষ করে ‘রোটেশনাল মুখ্যমন্ত্রী’ ফর্মুলা নিয়ে দলের অন্দরে দীর্ঘদিনের জল্পনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির বৈঠকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং রাহুল গান্ধীর হস্তক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি. কে. শিবকুমার জানিয়েছেন, দল ডাকলে তিনিও দিল্লি যাবেন। ২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে বলেও তিনি আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেছেন। দক্ষিণ ভারতে কংগ্রেসের শক্তিশালী এই ঘাঁটিতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিরসনে দিল্লির এই বৈঠক শেষ পর্যন্ত কী ফলাফল বয়ে আনে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়াকে জরুরি তলব করেছে কংগ্রেস হাই কমান্ড। দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার সমীকরণ ও নেতৃত্বের সংকট নিরসনে দিল্লির এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

0 Comments