জাপানের ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা এবং সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রতিবেশী দুই পরাশক্তি চীন ও রাশিয়া। সম্প্রতি বেইজিংয়ে এক শীর্ষ বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জাপানের এই ‘পুনঃসামরিকীকরণ’ প্রক্রিয়াকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে টোকিও এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দিয়েছে। জাপানের ক্ষমতাসীন দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) দীর্ঘদিন ধরেই দেশটির যুদ্ধবিরোধী সংবিধানের নবম অনুচ্ছেদ সংশোধনের চেষ্টা করছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এই পরিবর্তনের পক্ষে অনড় অবস্থান নিয়েছেন, যা জাপানকে আন্তর্জাতিক বিরোধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে পারে। এছাড়া জাপান এখন সমরাস্ত্র রপ্তানি এবং প্রতিরক্ষা বাজেট ২০২৭ সালের মধ্যে জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে। ফিলিপাইন ও অস্ট্রেলিয়ার মতো মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করছে টোকিও। চীন ও রাশিয়ার যৌথ বিবৃতিতে জাপানের এই পদক্ষেপকে ‘চরম উসকানি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অন্যদিকে জাপানের ডেপুটি চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি মাসানাও ওজাকি জানিয়েছেন, জাপানের আত্মরক্ষাকেন্দ্রিক নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে এবং চীন-রাশিয়ার উচিত তাদের নিজস্ব বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বন্ধ করা।
জাপানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগে ক্ষুব্ধ চীন ও রাশিয়া। বেইজিংয়ে পুতিন ও সি চিন পিংয়ের বৈঠকে জাপানের এই পদক্ষেপকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

0 Comments