দুদক সূত্র জানায়, আবদুল আজিজ ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং দুদকের এজাহারভুক্ত আসামি। আর উৎপল পাল নতুন আসামি হিসেবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। সাইফুজ্জামানের বিদেশে সম্পদ অর্জন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন উৎপল পাল, যাকে দুদক মূল মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখছে। তার কাছ থেকে জব্দ করা ল্যাপটপ ও মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার হয়েছে, যা ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, আবদুল আজিজ ছিলেন দেশে জাবেদের সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় ও দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত। কর্মচারীকে মালিক সাজিয়ে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ঢাকার ইউসিবি ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখা থেকে ২১ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী, তার স্ত্রী ও ব্যাংকের এমডিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, সাবেক মন্ত্রী ও তার পরিবারের নামে যুক্তরাজ্যে ৩৪৩টি, দুবাইয়ে ২২৮টি এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৯টিসহ বিপুল সম্পদ রয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের আদালত তার সম্পদ ক্রোক ও ফ্রিজের আদেশ দিয়েছে। শুধু শেয়ার হিসেবে তাদের ২৬টি বিও অ্যাকাউন্টে ৫৭৬ কোটি টাকারও বেশি আটকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৩৯টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ৫ কোটি টাকারও বেশি অর্থও ফ্রিজ করা হয়েছে।
0 Comments