বৃহস্পতিবার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ঘটনায় অভিযুক্ত মোরি নিজেই স্বীকার করেছেন, ফ্রিজে রাখা মরদেহটি তার মেয়ে মাকিকোর।
স্থানীয় পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, গত মঙ্গলবার টোকিওর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইবারাকি প্রিফেকচারে মোরির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানেই ডিপ ফ্রিজ থেকে এক প্রাপ্তবয়স্ক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মৃত নারী মাকিকোর জন্ম ১৯৭৫ সালে। তিনি যদি জীবিত থাকতেন, তবে বর্তমানে তার বয়স হতো ৪৯ বা ৫০ বছর। মরদেহে পচন ধরেছে বলে জানানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহটির ময়নাতদন্ত করা হবে।
মঙ্গলবার মোরি এক আত্মীয়কে নিয়ে পুলিশের কাছে আসেন এবং জানান, মেয়ের মৃতদেহটি ফ্রিজে রেখেছেন। তদন্তকারীরা তখন মোরির সাথে তার বাড়িতে যান। সেখানে টি-শার্ট এবং অন্তর্বাস পরা অবস্থায় মৃতদেহটিকে ফ্রিজারের ভিতরে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখেন। এরপর মৃতদেহ ফেলে রাখার সন্দেহে মোরিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মুখপাত্রের মতে, মোরি তদন্তকারীদের বলেন মৃতদেহ থেকে দুর্গন্ধ ঘরে ছড়িয়ে পড়ছিল। তাই তিনি ফ্রিজ কিনে মেয়ের মরদেহ ভেতরে রেখেছিলেন।
পুলিশ জানায়, মোরির একাধিক সন্তান আছে। তবে সন্তানের সঠিক সংখ্যা বা তারা মাকিকো সম্পর্কে কী বলেছেন, তা প্রকাশ করা হয়নি। জানা গেছে, এ মাসের শুরুতে মোরির স্বামী মারা যান। এরপর থেকে তিনি একাই বসবাস করছিলেন।
0 Comments