দৈনিক ইনকিলাবের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনকে ভিত্তি করে দুদক কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল সরেজমিনে গিয়ে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।
তদন্তে দেখা যায়—
শুধুমাত্র ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়া আর কোনো ডকুমেন্টস পাওয়া যায়নি।
৩০ জুন প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, কোনো প্রকল্পেই ৩০-৩৫ শতাংশের বেশি কাজ হয়নি।
১ জুন কার্যাদেশ দেওয়ার পর, প্রকল্প শুরু না করেই ‘ভেরিয়েশন অর্ডার’ নামে ৩৮ লাখ ৬০ হাজার টাকার অতিরিক্ত বরাদ্দ যোগ করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারদের সাথে মিল রেখে প্রকল্প পরিচালক আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ চেক ইস্যু করে সরকারি অর্থের অপচয় ঘটিয়েছেন।
উল্লেখ্য, পূর্বে করা ১১টি উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারেও জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে এবং মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলে। সেই টেন্ডার বাতিল হলেও নতুন করে আরও জালিয়াতির অভিযোগে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে।
দুদক জানিয়েছে, পরবর্তী ধাপে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কার্যালয় থেকে ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করা হবে। এরপরই আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
0 Comments