গুলশান-২ মোড়ে এতিমখানার লোকজন চামড়া এনে জমা করলেও দাম না পেয়ে বিক্রি করতে দ্বিধায় ছিলেন। ব্যবসায়ী কবির জানান, ৮০০ টাকা দিয়ে চামড়া কিনে এনেছেন, অথচ ৭০০ টাকার বেশি কেউ দিচ্ছে না। একই কথা বলছেন সায়েন্সল্যাব মোড়ের জাফর আহমেদ ও মোহাম্মদপুর টাউন হল এলাকার শেখ বাবুল। বাবুল জানান, বিকেল পর্যন্ত তিনি ৬০টির বেশি চামড়া কিনেছেন, গড়ে প্রতি চামড়া পড়েছে ৭০০ টাকা।
অন্যদিকে, এক ব্যবসায়ী জানান, তার কাছে এক হাজার চামড়া থাকলেও বিক্রি হয়নি—সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ৭০০ টাকা, গত বছর যা ছিল ৯০০-১০০০ টাকা। এ অবস্থায় অনেকেই মারাত্মক ক্ষতির মুখে।
আড়তদাররা চামড়া লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে তা ট্যানারিতে পাঠান। চলতি বছরে ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০-৬৫ টাকা, যা গত বছর ছিল ৫৫-৬০ টাকা। ঢাকার বাইরে এই দাম ৫৫-৬০ টাকা। খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২২-২৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ২০-২২ টাকায় বিক্রি হবে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেড়েছে।
চামড়ার দাম কিছুটা বাড়লেও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ক্রয়মূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন, ফলে গোটা বাজারেই হতাশা ও ক্ষতির অভিযোগ প্রকট হয়ে উঠেছে।
0 Comments