কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আধিপত্য বিস্তার ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বাড়াদি গ্রামে এই হামলার সময় তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মো. মিজানুর রহমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুষ্টিয়া জেলা শাখার ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক এবং কয়া ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা ঠেকাতে কয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি কেরামত আলী, তাঁর ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মাসুদ রানা এবং তাঁদের সমর্থকেরা দেশি অস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালান। হামলায় তাঁর বাড়ি ও দোকানঘর ভাঙচুরসহ প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইউনুস আলী জানান, মিজানুর রহমান আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দল পরিবর্তন করেছেন। তাঁর দাবি, এটি মূলত ব্যক্তিগত বিরোধের ঘটনা যাকে রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে এই হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়া জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীর বাড়িতে হামলা ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান।


0 Comments