ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ

শৈশবে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব: পড়াশোনায় অবনতি ও স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি

শৈশবে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব: পড়াশোনায় অবনতি ও স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি

শিশুদের শৈশবে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। ফ্রান্সের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড মেডিকেল রিসার্চ এবং সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবে বেশি সময় স্ক্রিনের সামনে কাটালে পরবর্তী জীবনে পড়াশোনার ফলাফল খারাপ হওয়া এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। গবেষণার এই ফলাফল ‘ওয়ার্ল্ড জার্নাল অব পেডিয়াট্রিকস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

সিঙ্গাপুরের ৫০২ জন শিশুর ওপর পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা যায়, বিশেষ করে এক বছর বয়সে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার শিশুদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কার্যকর স্মৃতিশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া ছয় বছর বয়সেও বেশি সময় স্ক্রিন দেখার ক্ষেত্রে একই ধরনের ফলাফল লক্ষ্য করা গেছে। গবেষকদের মতে, জীবনের শুরুর বছরগুলোতে এবং স্কুলে যাওয়ার প্রাথমিক সময়ে স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুরা খেলাধুলা, বই পড়া এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ কম পায়। অথচ শিশুর মানসিক বিকাশ ও চিন্তাশক্তির জন্য এই কার্যক্রমগুলো অপরিহার্য। তবে শুধু সময় নয়, শিশু স্ক্রিনে কী দেখছে এবং সেই সময় অভিভাবকরা পাশে আছেন কি না, তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর আগে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগারির গবেষক শেরি ম্যাডিগানের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে শিশুদের ভাষাগত দক্ষতাও হ্রাস পেতে পারে।

সংক্ষেপে:
শৈশবে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে শিশুদের পড়াশোনার ফলাফল খারাপ হওয়া এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। শিশুর সঠিক বিকাশে স্ক্রিন ব্যবহারের সময় ও বিষয়বস্তুর ওপর নজর দেওয়া জরুরি।
শৈশবে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব: পড়াশোনায় অবনতি ও স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি

0 Comments