নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের আঘাতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া এই অঞ্চলগুলো থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ, কাদা ও বরফের নিচে আরও ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। নেপাল সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ৩৬২ জন নিহত হয়েছেন এবং নিখোঁজদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বত অংশে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেখানে অন্তত ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গম পার্বত্য এলাকা এবং যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা চালালেও নতুন করে ভূমিধস ও নদীর পানি বাড়ার আশঙ্কায় কাজে বিঘ্ন ঘটছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নেপালে বর্তমানে তাদের অন্তত ২৮৮ জন নাগরিক যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় আটকা পড়ে আছেন। তাদের উদ্ধারে বিশেষ দল পাঠানো হচ্ছে। পুরো এলাকায় এখন নিখোঁজদের স্বজনদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও হাহাকার বিরাজ করছে।
নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে ৩৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৯০০ জনের বেশি মানুষ। উদ্ধার তৎপরতা চললেও প্রতিকূল আবহাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে কাজ। আটকা পড়েছেন বহু বিদেশি পর্যটক।


0 Comments