রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের ফতেপুর বাউসা বাজার জামে মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। বাউসা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে ৫০ টাকার একটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না এবং তার কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
ঘটনাটি জানাজানি হয় যখন মসজিদ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল ইমাম নিয়োগ সংক্রান্ত আলোচনার সময় স্ট্যাম্পটি প্রদর্শন করেন। নজরুল ইসলাম জানান, তার ও তার পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এই কাজ করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এর আগেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, তবে তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্ষমা চাওয়ায় তিনি বিষয়টি আর বাড়াননি। বারবার কেন এমন কাজ করা হচ্ছে, তা নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
মসজিদের নবনিযুক্ত ইমাম রুহুল আমিন জানান, নিয়োগের আগে তাকে জরুরি ভিত্তিতে পুঠিয়ায় ডেকে নিয়ে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে বলা হয়। তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কথায় বিশ্বাস করে সেখানে সই করেন এবং পরে জানতে পারেন স্ট্যাম্পটি নজরুল ইসলামের নামে কেনা হয়েছিল।
অভিযুক্ত আব্দুল রাজ্জাক মুঠোফোনে জানান, এলাকার স্বার্থে এবং নজরুল ইসলামের সাথে ঘনিষ্ঠতা থাকায় তার নামেই স্ট্যাম্পটি কেনা হয়েছিল। তবে কেন নিজের নামে কেনেননি, তার কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। এই কাজে তার সাথে মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল, রব্বেল এবং জেনেটসহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন বলে তিনি স্বীকার করেছেন।
রাজশাহীর বাঘায় মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি নেতার নাম ব্যবহার করে গোপনে অঙ্গীকারনামা তৈরির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তারিত জানুন সংবাদে।


0 Comments