ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ

অযোধ্যার পর এবার বদ্রীনাথ মন্দিরে প্রণামী চুরির গুরুতর অভিযোগ ও তদন্ত কমিটি গঠন

অযোধ্যার পর এবার বদ্রীনাথ মন্দিরে প্রণামী চুরির গুরুতর অভিযোগ ও তদন্ত কমিটি গঠন

অযোধ্যার রামমন্দিরের পর এবার উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ মন্দিরে প্রণামী চুরির অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় বদ্রীনাথ-কেদারনাথ টেম্পল কমিটি (বিকেটিসি) একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়েছে। 'ভৈরব সেনা' নামক একটি হিন্দু সংগঠন মন্দির কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে দাবি করেছে যে, বিকেটিসি চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদীর ব্যক্তিগত সচিব এই চুরির ঘটনার মূল হোতা। যদিও চেয়ারম্যান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তদন্ত শুরুর আগেই মন্দির চত্বরের ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা রাতারাতি বদলে ফেলা নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রমাণ লোপাট করতেই ১ জুলাই ক্যামেরাগুলো পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে বিকেটিসি-র কার্যনির্বাহী আধিকারিক সোহান সিং রাঙ্গাদ এই বিষয়টিকে একটি রুটিন প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, জনৈক ভক্তের দান করা উন্নত মানের হাই-রেজোলিউশন ক্যামেরা বসানোর জন্যই পুরনো ৩২টি ক্যামেরা সরানো হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কমিটির একজন স্থায়ী সরকারি কর্মচারী এবং পুরনো ক্যামেরার সমস্ত রেকর্ডিং তদন্তের জন্য সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ মন্দিরে গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ কোটি টাকার প্রণামী জমা হয়। বিপুল পরিমাণ এই অর্থের একটি বড় অংশ নয়ছয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে তদন্ত কমিটি। তবে ফুটেজগুলো কতটা স্পষ্ট তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বর্তমানে এই অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনাটি উত্তরাখণ্ডে ব্যাপক রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংক্ষেপে:
অযোধ্যার পর এবার বদ্রীনাথ মন্দিরে প্রণামী চুরির অভিযোগ উঠেছে। ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা বদলানো নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বিস্তারিত পড়ুন।
অযোধ্যার পর এবার বদ্রীনাথ মন্দিরে প্রণামী চুরির গুরুতর অভিযোগ ও তদন্ত কমিটি গঠন

0 Comments