বসবাসের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে যোগ্য ও সেরা শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)। ২০২৬ সালের গ্লোবাল লাইভেবিলিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষস্থান দখল করেছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন। স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো—এই পাঁচটি মূল সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
শীর্ষে থাকা কোপেনহেগেন স্থিতিশীলতা, শিক্ষা ও অবকাঠামো খাতে পূর্ণ নম্বর পেয়েছে। শহরটির বাসিন্দা ও এমডি-পিএইচডি শিক্ষার্থী লরা আমিরা কাসেম জানান, এখানে দৈনন্দিন জীবন অত্যন্ত সহজ ও আনন্দময়। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় নিখুঁত স্কোর অর্জন করা এই শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভিয়েনা ট্যুরিস্ট বোর্ডের কর্মকর্তা ফ্রানৎসিস্কা হখমুলার।
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও সিডনি যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। ক্রাউন প্লাজা কার্লটনের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান মেরি লেনন মেলবোর্নের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রশংসা করেন। অন্যদিকে, নিউ সাউথ ওয়েলসের কর্মসংস্থান ও পর্যটনমন্ত্রী স্টিভ ক্যাম্পার সিডনিকে একটি বৈশ্বিক শহর হিসেবে উল্লেখ করে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা তুলে ধরেন।
তালিকায় পঞ্চম ও ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের দুই শহর জুরিখ ও জেনেভা। জুরিখের বাসিন্দা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর মানুয়েলা লিওনহার্ড শহরের স্বচ্ছ পানি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। জেনেভার বৈচিত্র্যময় পরিবেশ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন সেখানকার বাসিন্দা জেমস এফ রয়্যাল। তালিকার পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে জাপানের ওসাকা (৭ম), অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড (৮ম), কানাডার ভ্যাঙ্কুভার (৯ম) এবং জাপানের রাজধানী টোকিও (১০ম)। বিশেষ করে টোকিও গত বছরের তুলনায় তিন ধাপ এগিয়ে শীর্ষ দশে জায়গা করে নিয়েছে।
২০২৬ সালের বসবাসের জন্য সেরা শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে ইআইইউ। টানা দ্বিতীয়বার শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অবকাঠামোর ভিত্তিতে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মধ্যে এই তালিকা করা হয়।


0 Comments