উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় মানবপাচার এবং অপহরণের মতো অপরাধ দমনে অতিরিক্ত পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় প্রস্তাবিত পুলিশ ফাঁড়ির জন্য জমি নির্ধারণ করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান।
জানা গেছে, সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী এই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে বাহারছড়া ইউনিয়নের মানবপাচার প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত কচ্ছপিয়ায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এদিন সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসক প্রথমে শামলাপুর এলাকার দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং পরে কচ্ছপিয়ায় গিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির জন্য নির্ধারিত স্থানটি ঘুরে দেখেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফ অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট তিনটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ করা হবে। জমি নির্ধারণের সময় উপস্থিত ছিলেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন, চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা এবং বাহারছড়া উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলমগীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান জানান, অপহরণ ও মানবপাচারের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয়দের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার এই তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খুব দ্রুতই এসব ফাঁড়ির নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নতুন এই পুলিশ ফাঁড়িগুলো চালু হলে কচ্ছপিয়াসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উখিয়া ও টেকনাফে মানবপাচার ও অপহরণ রোধে তিনটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হচ্ছে। টেকনাফের বাহারছড়ায় ফাঁড়ির জমি নির্ধারণ করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান। এতে জননিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।


0 Comments