ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ

রামুর গর্জনিয়ায় বৃষ্টির তোড়ে মাটির ঘর ধসে পলিথিনের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে এক অসহায় পরিবার

রামুর গর্জনিয়ায় বৃষ্টির তোড়ে মাটির ঘর ধসে পলিথিনের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে এক অসহায় পরিবার

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জাউচপাড়ায় টানা বর্ষণে মাটির ঘর ধসে এক অসহায় পরিবারের আট সদস্য এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী দিল মোহাম্মদ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রোকেয়া বেগমের এই পরিবারটি বর্তমানে মাথার ওপর একখণ্ড পলিথিন টাঙিয়ে কোনোমতে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বৃষ্টির পানিতে ভিজে লালচে মাটির স্তূপে পরিণত হয়েছে তাদের একমাত্র আশ্রয়স্থলটি। ঘরের চালের ফুটো দিয়ে পানি পড়া ঠেকাতে মেঝেতে হাঁড়ি-পাতিল সাজিয়ে রাখা হয়েছে। পরিবারের ছয় মেয়ের পড়াশোনা ও জীবনযাপন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। গর্জনিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা জানায়, মা-বাবা দুজনেই অসুস্থ এবং তাদের থাকার ঘরটি ভেঙে যাওয়ায় তারা এখন পুরোপুরি অসহায়। গৃহকর্তা দিল মোহাম্মদ জানান, কয়েক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর তিনি এখন প্রায় অচল। তার স্ত্রী রোকেয়া বেগমও এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন। আগে কৃষিকাজ ও হাঁস-মুরগি পালন করে সংসার চললেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা দিশেহারা। পরিবারটির এই দুর্দশার কথা শুনে পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয়রা। গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মো. শহীদুল্লাহ শহীদ এবং সমাজকর্মী ইব্রাহীম ও মুহিবুল্লাহ চৌধুরী জিল্লু পরিবারটির জন্য দ্রুত বাসযোগ্য ঘর ও মেয়েদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলেরও সুদৃষ্টি কামনা করেন। এ বিষয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান জানান, তিনি পরিবারটির কষ্টের কথা জানতে পেরেছেন। তাদের জন্য প্রতিবন্ধী ভাতা, বাসস্থানের ব্যবস্থা এবং সন্তানদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রে সরকারি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংক্ষেপে:
রামুর গর্জনিয়ায় বৃষ্টির তোড়ে মাটির ঘর ধসে আট সদস্যের এক অসহায় পরিবার পলিথিনের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। প্রতিবন্ধী দম্পতি ও তাদের সন্তানদের রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।
রামুর গর্জনিয়ায় বৃষ্টির তোড়ে মাটির ঘর ধসে পলিথিনের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে এক অসহায় পরিবার

0 Comments