বরেণ্য চিত্রশিল্পী আতিয়া ইসলাম আর নেই। বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি মরণব্যাধি ক্যানসারের সাথে লড়াই করছিলেন। আতিয়া ইসলাম তার তুলি ও রঙের মাধ্যমে সমাজে নারীর অবস্থান এবং পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার নানা বৈষম্য ফুটিয়ে তুলতেন। তার চিত্রকর্মে নারীর প্রতি সহিংসতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পাশাপাশি বলিষ্ঠ নারীবাদী আন্দোলনের গল্প উঠে আসত। বাস্তবধর্মী চিত্রশৈলী এবং রূপক ও প্রতীকী উপস্থাপনার জন্য তিনি বিদগ্ধ মহলে সমাদৃত ছিলেন। ১৯৬২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবনে তিনি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল সানবিমসের শিক্ষক এবং ‘ঝাপি স্কুল অব আর্ট’-এর পরিচালক ছিলেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সালে ১৮তম এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল বাংলাদেশে তিনি প্রধান পুরস্কার লাভ করেন। শিল্পী আতিয়া ইসলামের স্বামী হাসান মাহমুদ জানান, আজই তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের শ্যালিকা ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বরেণ্য চিত্রশিল্পী আতিয়া ইসলাম আর নেই। ক্যানসারের সাথে দীর্ঘ লড়াই শেষে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। নারী জাগরণ ও সামাজিক অসংগতির বিরুদ্ধে তার তুলি ছিল সর্বদা সোচ্চার।


0 Comments