যন্তরমন্তরের ছাত্র-যুব আন্দোলন আপাতত স্তিমিত হলেও সোমবার থেকে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে ‘দ্য পাবলিক এগজামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ লোকসভায় পেশ করে দ্রুত পাসের পরিকল্পনা করছে। তবে বিরোধীরা ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকা, পেলেট গান ব্যবহার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবদিহির দাবিতে সরকারকে কোণঠাসা করতে প্রস্তুত। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ২০ জুলাইয়ের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে লাঠিচার্জ ও পেলেট গান ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন যে, আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ করা হয়েছে এবং সাদা পোশাকে থাকা ব্যক্তিরা নির্মমভাবে লাঠিচার্জ করেছে। আহত ছাত্র শাহিল লোচাবের জখমের চিহ্ন ও চিকিৎসার নথি সামনে এনে সরকারের বিরুদ্ধে সত্য গোপনের অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল। এদিকে নিরাপত্তা সূত্র অনুযায়ী, সিআরপিএফের এক অভ্যন্তরীণ বৈঠকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পেলেট গান ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং ভবিষ্যতে তা ব্যবহার না করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অন্যদিকে, আসন্ন স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত ১৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।
প্রশ্নফাঁস রুখতে সংসদে কঠোর বিল আনছে সরকার। তবে ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহি চায় বিরোধীরা। সংসদ অধিবেশনে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।


0 Comments