মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আইনের তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়ালখুশিমতো একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন। নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, প্রচলিত আইনের চেয়ে নিজের নৈতিকতা ও ইচ্ছাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দেন। এই মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও ভবনের নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে করছেন। কেনেডি সেন্টারের নাম বদলে রাখা হয়েছে কেনেডি-ট্রাম্প সেন্টার এবং ফ্লোরিডার পাম বিচ এয়ারপোর্টের নতুন নাম হয়েছে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। এমনকি ডলারে নিজের স্বাক্ষর এবং পাসপোর্টে নিজের ছবি যুক্ত করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো নিজের সরকারের বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা। ২০১৯ সালে তার কর প্রদানের তথ্য ফাঁসের অভিযোগে মানহানির দাবি তুলে তিনি এই মামলা করেছেন। অন্যদিকে, তার নির্দেশনায় বিচার বিভাগ সাবেক এফবিআই প্রধান জেমস কোমির বিরুদ্ধে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের ভিত্তিতে ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছে। সমালোচকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে নির্বাহী, বিচার ও আইন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য ভেঙে পড়েছে। ট্রাম্পের অনুসৃত 'একক নির্বাহী তত্ত্ব' তাকে কার্যত একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী করে তুলেছে, যা নিয়ে খোদ মার্কিন সংবাদমাধ্যমেই প্রশ্ন উঠেছে।
আইনের তোয়াক্কা না করে নিজের সরকারের বিরুদ্ধেই ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা ঠুকলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একের পর এক প্রতিষ্ঠান নিজের নামে নামকরণ ও একক ক্ষমতার দাপটে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র।

0 Comments