সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে প্রতারণা বা ‘ফ্রড প্র্যাকটিস’ করে বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার অনুমতি নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সম্প্রতি আসামিপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তরের আদেশ দিয়েছিলেন। তবে প্রসিকিউশন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে কিছু অসংগতি খুঁজে পায়। আমিনুল ইসলাম বলেন, এভারকেয়ারে চিকিৎসার জন্য আসামিপক্ষ যেসব কাগজপত্র দাখিল করেছিল, সেগুলো অত্যন্ত সন্দেহজনক। বিশেষ করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারির একটি মেডিকেল পেপার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, কামরুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে কারাগারে আছেন এবং ট্রাইব্যুনালের অনুমতি ছাড়া তার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার নিয়েও প্রশ্ন তোলে প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল এভারকেয়ারে চিকিৎসার আগের আদেশটি স্থগিত করেন এবং বৃহস্পতিবার অধিকতর শুনানি শেষে তা বাতিল করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী এসব কাগজের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে সময় চাইলে আদালত আগামী ১৭ মে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের সাথে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন চিফ প্রসিকিউটর। সন্দেহজনক নথির কারণে এভারকেয়ার হাসপাতালে তার চিকিৎসার অনুমতি বাতিল করেছে আদালত।
সূত্র: প্রথম আলো

0 Comments