শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে রামু ও টেকনাফ উপজেলা একাদশের ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে টিকেট কেটে প্রবেশ করতে না পারা দর্শকরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে। ধারণক্ষমতার ছয় গুণ টিকেট বিক্রির কারণে অন্তত ৫০ হাজার দর্শক স্টেডিয়ামের ভেতরে এবং হাজারো মানুষ বাইরে আটকা পড়ে। ফলে সকাল থেকে টিকেটের দামও বাড়তে থাকে।
দর্শকরা গেইট ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়লে খেলা স্থগিত হয়ে যায়। পরে তারা গ্যালারি, মাঠ, প্রেস বক্সসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র্যাব ও সেনা সদস্যরা চেষ্টা চালালেও দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। অবশেষে বিকাল ৫টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে মাঠ খালি করে।
ঘটনায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন, পুলিশের তিন সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন শাহীন জানান, এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে মামলা হবে। তিনি স্বীকার করেন, দর্শকের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ছিল অপ্রতুল।
0 Comments