শনিবার (২ আগস্ট) এমপি-এমএলএদের জন্য গঠিত বিশেষ আদালতের বিচারক সন্তোষ গজানন ভাট এই রায় ঘোষণা করেন।
৩৪ বছর বয়সী প্রজ্বল রেভান্না কর্ণাটকের এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য।
২০২৩ সালে সামাজিক মাধ্যমে শত শত আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস হলে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। এরপর শুরু হয় তদন্ত।
বিবিসি ও এনডিটিভি জানিয়েছে, ভুক্তভোগী নারী রেভান্নার পরিবারের ফার্ম হাউসে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
২০২৪ সালে কর্ণাটকের হাসান জেলায় তার বিরুদ্ধে চারটি ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির মামলা হয়, যার একটি মামলায় এখন রায় হলো। বাকি তিনটির বিচার চলছে।
রেভান্নার পরিবার এটিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলছে।
তাদের দাবি, কংগ্রেস সরকার পরিকল্পিতভাবে এই মামলাগুলো ঠেলে দিচ্ছে।
তবে বিচার বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের মতো প্রভাবশালী পরিবারে এই মাত্রার সাজা নজিরবিহীন।
প্রজ্বল রেভান্না এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।
0 Comments