আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে। শনিবার বিকেলে পিটিআই হলরুমে আয়োজিত একটি চাকরি মেলার সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য দেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই সংশোধনী নিয়ে একটি পক্ষ বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং একে হেবা আইনের লঙ্ঘন বলে প্রচার করছে। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, সংশোধনীতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে এটি হেবা আইন বা অন্য কোনো আইনের পথে কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। তিনি আরও বলেন, হেবা আইন স্পর্শ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং বিরোধীরা আইনের এই অংশটি না পড়েই এটি নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন।
একই অনুষ্ঠানে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) উদ্যোগে আয়োজিত চাকরি মেলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মেলা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ১ হাজার ১১৫ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও ৩ হাজার মানুষকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমানে ক্ষুদ্রঋণ খাতে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ কর্মরত আছেন, যা আগামী এক বছরের মধ্যে সাড়ে তিন লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এমআরএ-র এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সুরক্ষায় সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এই সংশোধনী হেবা আইনের কোনো লঙ্ঘন নয় বরং এটি প্রবীণদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।


0 Comments