আজ ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে মণিপুরি খাবারের বৈচিত্র্যময় ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনায় এসেছে। ঝাঁঝালো মসলা বা তেলের আধিক্য ছাড়াই স্থানীয় শাকপাতা, মাছ, শুঁটকি ও বাঁশকোঁড়লের সমন্বয়ে তৈরি এই খাবারগুলো ভোজনরসিকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। মণিপুরি রান্নার প্রধান বিশেষত্ব হলো উপকরণের নিজস্ব স্বাদ ও ঘ্রাণকে অক্ষুণ্ন রাখা।
সিলেটের শিবগঞ্জের চাখুম রেস্তোরাঁর এক্সিকিউটিভ শেফ অভিরুপ কুমার সিংহ জানান, মণিপুরি খাবারে জেনম পাতা একটি অপরিহার্য উপাদান, যা খাবারে বিশেষ ফ্লেভার যোগ করে। এছাড়া ফারমেন্টেড উপকরণ ও বুনো উদ্ভিদের ব্যবহার এই রন্ধনশৈলীকে অন্য সবার থেকে আলাদা করেছে। ঐতিহ্যবাহী কাঁসার থালায় খাবার পরিবেশন করা মণিপুরি সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
মণিপুরি খাবারের উল্লেখযোগ্য পদগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশেষ ধরনের ডাল 'উতি', ড্রাই সালাদ 'সিঞ্জু', এবং 'চামথং' বা 'কাংসই'। এছাড়া খামেন ভাজা, মাকক মারু ঙাংথং এবং উকাবি হিজাংয়ের মতো পদগুলোও বেশ জনপ্রিয়। পরিমিত তেল ও মসলার ব্যবহারে তৈরি এসব খাবার স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু হিসেবে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে জেনে নিন মণিপুরি খাবারের বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী সম্পর্কে। তেল-মসলার ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক উপাদানের স্বাদে ভরপুর এই খাবারগুলো ভোজনরসিকদের কাছে এক অনন্য আকর্ষণ।


0 Comments