বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে ব্রাজিল। বাংলাদেশ সময় রাত দুইটায় সেলেসাওদের প্রতিপক্ষ নরওয়ে। তবে এই ম্যাচে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। ফিফার ‘ম্যাচ ট্র্যাকিং’ প্রযুক্তির তথ্যানুযায়ী, হলান্ডের গতির কাছে ম্লান হয়ে যেতে পারে ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা।
চলতি বিশ্বকাপে হলান্ডের গতি ছিল দেখার মতো। ইরাকের বিপক্ষে একটি ম্যাচে তিনি ঘণ্টায় ৩৬.৫ কিলোমিটার গতিতে দৌড়েছেন। এছাড়া সেনেগালের বিপক্ষে তার গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৫.২ কিলোমিটার। অন্যদিকে, ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ গতি তুলতে পেরেছেন ডিফেন্ডার দানিলো, যার গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৪.২ কিলোমিটার। দলের অন্যতম গতির তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ঘণ্টায় ৩৪.১ কিলোমিটার গতি তুলতে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়া মার্কিনিয়োস ৩৩.৮ এবং রাফিনিয়া ৩৩.৩ কিলোমিটার গতিতে দৌড়েছেন।
পরিসংখ্যান বলছে, হলান্ড যখন পূর্ণ গতিতে ছুটবেন, তখন ব্রাজিলের দ্রুততম খেলোয়াড়ও তার চেয়ে অন্তত ২.৩ কিলোমিটার পিছিয়ে থাকবেন। তবে ফুটবল কেবল গতির লড়াই নয়, এটি বুদ্ধির খেলা। হলান্ডকে রুখতে হলে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে কেবল দৌড়ালে চলবে না, বরং ইস্পাতকঠিন শৃঙ্খলা ও সঠিক ট্যাকটিকস ব্যবহার করতে হবে। সেলেসাওদের মূল লক্ষ্য হবে হলান্ডের কাছে বল পৌঁছানোর পথ বন্ধ করা। এখন দেখার বিষয়, হলান্ডের গতির ঝড়ে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্ন থমকে যায় কি না।
নকআউট পর্বের লড়াইয়ে আজ নরওয়ের মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল। আর্লিং হলান্ডের অবিশ্বাস্য গতির সামনে সেলেসাও রক্ষণভাগের পরীক্ষা আজ। গতির ঝড়ে কি টিকে থাকবে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্ন?


0 Comments