কাতারের রাস লাফফান এলএনজি কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু ও অর্ধশতাধিক আহত

কাতারের প্রধান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র রাস লাফফানে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৫৪ জন। এছাড়া আরও ১৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী এবং কাতারএনার্জির প্রধান নির্বাহী সাদ আল কাবি গতকাল সোমবার জানান, একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই ঘটনার পেছনে কোনো শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড বা হামলার সংশ্লিষ্টতা নেই।

জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল কাবি আরও জানান, বিস্ফোরণে নিহতদের সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক। তবে আহতদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি প্রদান করেননি। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এই দুর্ঘটনার ফলে কাতারের এলএনজি রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে ইরানি হামলার কারণে এই বিশাল গ্যাস কমপ্লেক্সটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর কর্মীরা যখন কেন্দ্রটি পুনরায় সচল করার কাজ শুরু করেন, তখনই এই বিস্ফোরণ ঘটে। মন্ত্রী জানান, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং মাত্র দুই দিন আগে এটি পুনরায় চালু করা হয়। কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সেখানে কোনো ধরনের গ্যাস লিকেজ হয়নি যা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

সংক্ষেপে:
কাতারের রাস লাফফান এলএনজি কেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটির কারণে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত ও ৫৪ জন আহত হয়েছেন। জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল কাবি জানিয়েছেন, এটি কোনো নাশকতা নয় বরং একটি দুর্ঘটনা।
কাতারের রাস লাফফান এলএনজি কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু ও অর্ধশতাধিক আহত