নেত্রকোনায় ভুয়া বিল-ভাউচারে টাকা উত্তোলন, তদন্তে নামল মাউশি

সিবি ডেক্স: নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। ‘ভুতুড়ে বিলে উধাও সাড়ে ৫ লাখ টাকা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)।

রোববার (১৫ মার্চ) মাউশির ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মোহা. নাসির উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনাটি তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিদ্যালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।

জানা গেছে, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ক্রয়ের জন্য ৫ লাখ ৬১ হাজার টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রে সাইন্স ল্যাবের রাসায়নিক দ্রব্য, বইপুস্তক, গবেষণা সরঞ্জাম, শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রীসহ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহের কথা ছিল।

সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ২২ ডিসেম্বর নেত্রকোনার মেসার্স ইউনিপ্যাক এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পায়। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আল আমিনকে সাত দিনের মধ্যে সরঞ্জাম সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়।

নিয়ম অনুযায়ী সরঞ্জাম গ্রহণের জন্য বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সমন্বয়ে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সমঝোতা করে সরঞ্জাম সরবরাহ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার জমা দেয় ঠিকাদার। উপ-কমিটির সদস্যদের কাছ থেকেও সরঞ্জাম গ্রহণের স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরে প্রধান শিক্ষক সরবরাহের প্রত্যয়নপত্র দিলে তা জমা দিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি ভ্যাট-ট্যাক্স বাদে ৪ লাখ ৮০ হাজার ২৫৫ টাকা বিল উত্তোলন করা হয়। এতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থেকে বঞ্চিত হয় বিদ্যালয়টি।

Post a Comment

0 Comments