আসিফ নজরুল জানান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করা হবে, যাতে তারা গুম, খুনসহ সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্ত করতে পারে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে মানবাধিকার কমিশন ও উচ্চ আদালত মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে বরং লঙ্ঘনে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সরকার এমন একটি আইন প্রণয়ন করতে চায় যা মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে শিল্প ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, গুম, খুন ও আয়নাঘরের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে মানবাধিকার কমিশন রাজনৈতিকভাবে ডোনার ফান্ড খরচে টিকে ছিল এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ন্যক্কারজনক ভূমিকা পালন করেছে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আইন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ পরামর্শক ব্যারিস্টার তানিম হোসেইন শাওন, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার, সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূত এবং জোরপূর্বক গুমবিষয়ক অনুসন্ধান কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী।
0 Comments